জিকা ভাইরাস মোকাবেলায় ইউনেসেফের পাশে এবার গুগল

ফেব্রুয়ারি ৪, ২০১৬
Zika Virus এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতিঃ মশার কামড়ের মাধ্যমেই Zika Virus সংক্রমিত হয়। Zika Virus এর প্রাদুর্ভাব দেখা যায় আফ্রিকা মহাদেশের কিছু অংশে (parts of Africa), দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া (Southeast Asia), প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপ সমূহতে (the Pacific Islands), ক্যারিবিয়ান (the Caribbean), মধ্য আমেরিকা (Central America) এবং  দক্ষিণ আমেরিকাতে (South America)।
এখন সারাবিশ্বে আতঙ্কের নাম জিকা ভাইরাস।ইতিমধ্যেই “THE WORLD HEALTH Organization” জিকা ভাইরাসক মোকাবেলায় জরুরী অবস্থা ঘোষণা করেছে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে।  মশাবাহিত এই রোগ মোকাবেলায় কাজ করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফ সহ বিভিন্ন বৈশ্বিক সংগঠন।জিকা ভাইরাস মোকাবেলায় ইউনেসেফের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে এবার গুগল।গুগলের একদল প্রকৌশলী, বিজ্ঞানী, ও ডিজাইনাররা ইউনিসেফের সঙ্গে কাজ করবে। এছাড়া গুগোল কারিগরী সহযোগিতার আশ্বাসও দিয়েছে গুগল।Google.org এর পরিচালক Jackulin Fuler  বলেন, ‘আমরা আসলে Zika সনাক্ত করতেই বেশি কাজ করবো”।এছাড়াও বিভিন্ন এলাকায় ইউনিসেফকে এ বিষয়ে আমরা সহযোগিতা করবে বলে আশ্বাস দিন তিনি।
প্রযুক্তির মাধ্যমে জিকা ভাইরাস সনাক্ত ছাড়াও ভবিষ্যতে জরুরি অবস্থাতেও এই যন্ত্রগুলো কাজে লাগবে বলে ফুলার জানান। এছাড়া ভ্যাকসিন আবিস্কার ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করতে ১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সহায়তা করেছে গুগল। সার্চ এর মাধ্যমে জিকা ভাইরাস সম্পর্কে জরুরী তথ্য প্রদান এবং ১৬ টি ভাষায় ট্রান্সলেট করে রেজাল্ট দেখানোর মতো বিভিন্ন প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিয়েছে গুগোলের ইঞ্জিনিয়ার টিম।
গত বছর মে মাস থেকে ব্রাজিলে জিকা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু হয়। তার পর থেকে দেশটিতে অপরিণত বা ছোট মস্তিষ্কের শিশু জন্ম নেওয়ার হার আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে গেছে। শিশুদের এ অবস্থাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় ‘মাইক্রোসেফালি’। এতে আক্রান্ত শিশুদের মস্তিষ্কের গঠন সম্পূর্ণরূপে হয় না। ফলে ওই শিশুরা বুদ্ধি প্রতিবন্ধী হতে পারে,শারীরিক বৃদ্ধি বিলম্বিত হতে পারে, এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে মাঝারি মাত্রার জ্বর, চোখে প্রদাহ ও মাথাব্যাথা হয়। গর্ভবতী নারী জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে তার গর্ভের সন্তানের মস্তিষ্কের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হতে পারে।
Souce- NBCNews, WiredMehera Tabassum – ContentWriter